প্রথম গারো নারী সৈনিক সুমি মানখিন

আচিক নিউজ ডেস্ক: টানা এক বছর প্রশিক্ষণ শেষে গত ২৯ জানুয়ারী টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইলে অবস্থিত শহীদ সালাউদ্দিন সেনা নিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে গারোদের মধ্যে প্রথম নারী সৈনিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন সুমি মানখিন। সে শুধু গারদের মধ্যেই নয় বাংলাদেশের প্রথম নারী সৈনিক হিসেবে নিয়োজিত ৮৭৮ জন নারী সৈনিকদের মধ্যে একজন।

সে ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার মান্দাতলি গ্রামের কল্যাণ রুরাম ও কিরণ মানখিনের মেয়ে। বাবা ২০১১ সালে অবসরপ্রাপ্ত মিশনারি স্কুল শিক্ষক, মা গৃহিনী। সে ২ বোন ৪ ভাইয়ের মধ্যে সে চতুর্থ। । ছোট বেলা থেকেই শান্ত প্রকৃতির মেয়ে সুমি ২০১২ সালে ভালুকাপাড়া সেন্ট তেরেজা স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে ধোবাউড়া আদর্শ ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হয়। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলআপের আগেই আর্মিতে ডাক পড়ায় আর্মিতে যোগদান করে মেডিক্যাল কোর ডিপ্লমা ইউনিটে। এখন আছেন ঘাটাইল ট্রেইনিং সেন্টারে। একবছরের সফল ট্রেইনিং শেষ করেছেন। আরো দুই বছর ট্রেইনিং শেষ করার পর নিজ ইউনিটে কাজে যোগদান করবে। শান্ত প্রকৃতির এই মেয়ে একদিন গারোদের মধ্যে প্রথম মহিলা সৈনিক হয়ে বের হবে, হাতে থাকবে ভারি অস্ত্র।